Popular Now
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে University of Malaya ক্যাম্পাসের ভবন

Cost of Studying in Malaysia: Public বনাম Private University-তে মোট খরচ কত?

বাংলাদেশে ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন ও ক্যারিয়ার প্রস্তুতির প্রতীকী চিত্র

LinkedIn দিয়ে চাকরি খোঁজা: প্রোফাইল, সার্চ ও আবেদন কৌশল

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরে টেলরস ইউনিভার্সিটির লেকসাইড ক্যাম্পাসের ভবন

Malaysia Accredited Universities: MQA Accreditation ও ডিগ্রির স্বীকৃতি যাচাই করবেন যেভাবে

গাড়ির ড্যাশবোর্ডে নেভিগেশন অ্যাপের মানচিত্র দেখা যাচ্ছে

ভারতের NavIC স্যাটেলাইট NVS-03 উৎক্ষেপণ সফল, বাংলাদেশে কী সুবিধা মিলতে পারে?

ভারতের NVS-03 স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও প্রথম কক্ষপথ পরিবর্তন সফল। NavIC সংকেত বাংলাদেশে পাওয়া সম্ভব হলেও সব ফোনে সুবিধা মিলবে না।

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO ৩০ অক্টোবর ২০২৬ রাতে NVS-03 নেভিগেশন স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। পরদিন স্যাটেলাইটটির প্রথম কক্ষপথ পরিবর্তনও সম্পন্ন হয়েছে। ভারতের নিজস্ব অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা NavIC-এর আওতায় বাংলাদেশও পড়লেও নতুন স্যাটেলাইটটি চালু হলেই সব ফোনে বাড়তি সুবিধা মিলবে, এমন নয়।

উৎক্ষেপণের পর প্রথম কক্ষপথ পরিবর্তন সফল

শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে GSLV-F18 রকেটে ৩০ অক্টোবর রাত ১১টা ৫১ মিনিটে (ভারতীয় সময়) NVS-03 উৎক্ষেপণ করা হয়। রকেটটি স্যাটেলাইটকে পরিকল্পিত প্রাথমিক কক্ষপথে পৌঁছে দেয়।

৩১ অক্টোবর ISRO জানায়, সেদিন বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে স্যাটেলাইটের ইঞ্জিন চালিয়ে প্রথমবার কক্ষপথ উঁচু করার কাজ সফল হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, স্যাটেলাইটটি স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত কক্ষপথে পৌঁছায়নি।

NavIC কী, নতুন স্যাটেলাইটে কী আছে?

NavIC হলো ভারতের নিজস্ব আঞ্চলিক স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের GPS-এর মতো এটি অবস্থান ও সময় নির্ধারণের সংকেত দেয়, তবে এর মূল সেবাক্ষেত্র ভারত ও আশপাশের অঞ্চল। NVS-03 হলো এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় প্রজন্মের তৃতীয় স্যাটেলাইট।

স্যাটেলাইটটিতে অত্যন্ত নির্ভুল সময় মাপার জন্য ভারতে তৈরি একটি অ্যাটমিক ক্লকসহ আরও ঘড়ি রয়েছে। আগের L5 ও S ব্যান্ডের পাশাপাশি এটি L1 ব্যান্ডেও সংকেত পাঠাতে পারবে। L1 ব্যান্ড বিভিন্ন নেভিগেশন রিসিভারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কী লাভ?

ISRO-এর তথ্য অনুযায়ী, NavIC-এর পরিকল্পিত সেবাক্ষেত্র ভারতের সীমান্ত থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই বাংলাদেশ এই অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। উপযুক্ত রিসিভার থাকলে এখান থেকেও NavIC-এর অবস্থান নির্ধারণের সংকেত ব্যবহার করা সম্ভব।

তবে সব স্মার্টফোন NavIC সমর্থন করে না। ফোনের চিপসেট, অ্যানটেনা ও সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় সমর্থন থাকতে হবে। নিজের ফোনের নির্মাতার স্পেসিফিকেশনে ‘NavIC’ বা ‘IRNSS’ লেখা আছে কি না দেখা যেতে পারে। শুধু নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কারণে Google Maps বা অন্য কোনো ম্যাপ অ্যাপের অবস্থান শনাক্তকরণ এখনই আরও নির্ভুল হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

কবে পুরোপুরি কাজ শুরু করবে?

ISRO জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে আরও কয়েক দফা কক্ষপথ পরিবর্তন করে NVS-03-কে নির্ধারিত ভূ-সমলয় কক্ষপথে নেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন স্যাটেলাইটটির সংকেত কবে পুরোপুরি চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *