একটি মাস্টার্স ডিগ্রি করতে ইউরোপের দুই বা তার বেশি দেশে পড়ার সুযোগ, সঙ্গে টিউশন ফি ছাড় ও মাসিক ভাতা। Erasmus Mundus Joint Masters (EMJM) সেই সুযোগ দেয়। তবে শুধু “fully funded” শুনে আবেদন শুরু করলে ভুল প্রোগ্রাম বেছে নেওয়া বা scholarship deadline মিস করার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ থেকে Erasmus Mundus scholarship-এর জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন, সেটিই এখানে ধাপে ধাপে দেখানো হলো।
Erasmus Mundus Scholarship কী?
Erasmus Mundus Joint Masters হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের Erasmus+ উদ্যোগের অধীনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় মিলে পরিচালিত আন্তর্জাতিক মাস্টার্স প্রোগ্রাম। একটি প্রোগ্রামের পাঠ্যক্রমের বিভিন্ন অংশ ভিন্ন দেশে সম্পন্ন হতে পারে। সাধারণত মেয়াদ এক থেকে দুই বছর, অর্থাৎ ৬০, ৯০ বা ১২০ ECTS। কোর্স শেষে joint degree অথবা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের multiple degree পাওয়া যায়।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারেন। তবে প্রতিটি EMJM প্রোগ্রামে সবার জন্য স্বয়ংক্রিয় স্কলারশিপ নেই। ভর্তি এবং অর্থায়নের সিদ্ধান্ত আলাদা হতে পারে। ইউরোপীয় কমিশনের শিক্ষার্থী নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হয়।
স্কলারশিপে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
বর্তমান EMJM কাঠামোয় নির্বাচিত scholarship holder-এর জন্য মাসে সর্বোচ্চ €1,400 হারে ২৪ মাস পর্যন্ত অর্থায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। দুই বছরের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মোট €33,600 হতে পারে। এটি কোনো আলাদা মাসিক বেতন নয়, বরং জীবনযাপন, ভ্রমণ ও স্থাপনা-সংক্রান্ত ব্যয় সামলানোর অনুদান। স্কলারশিপধারীদের participation fee ছাড় এবং বীমা সুবিধাও থাকে। Erasmus+ EMJM funding details দেখুন।
বাস্তবে প্রথম মাসের বাসা ভাড়া, নিরাপত্তা জামানত, ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা টিকিটের টাকা আগে দিতে হতে পারে। তাই স্কলারশিপ পেলেও কিছু জরুরি সঞ্চয় রাখুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের offer letter ও scholarship agreement-এ অর্থ ছাড়ের সময়সূচি মিলিয়ে নিন।
বাংলাদেশ থেকে কারা আবেদন করতে পারবেন?
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Bachelor’s বা সমমানের প্রথম ডিগ্রি সম্পন্ন করলে আবেদন করা যায়। অনার্সের শেষ বর্ষেও আবেদন সম্ভব, যদি মাস্টার্স শুরুর আগে স্নাতক সম্পন্ন করেন। HSC পাস করে সরাসরি এই মাস্টার্স স্কলারশিপে আবেদন করা যায় না।
এখানে সব প্রোগ্রামের জন্য একক CGPA, IELTS স্কোর বা বয়সসীমা নেই। নির্দিষ্ট কোর্সের admissions page-এ subject prerequisites, academic grades, English proficiency, work experience ও document rules আলাদা করে দেওয়া থাকে। কিছু প্রোগ্রাম IELTS/TOEFL চায়, কিছু ক্ষেত্রে আগের ডিগ্রির ভাষার প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে। অনুমান করে English-medium certificate জমা না দিয়ে কোর্সের নিয়ম দেখুন।
কম CGPA থাকলে আবেদন নিষিদ্ধ এমন নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে ফলাফল, সংশ্লিষ্ট কোর্সওয়ার্ক, গবেষণা, প্রকল্প, কাজের অভিজ্ঞতা ও motivation-এর প্রাসঙ্গিকতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আপনার প্রোফাইলের সঙ্গে বাস্তবে মেলে এমন কোর্স বাছাই করুন।
২০২৭ intake-এর আবেদন কবে?
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, বেশির ভাগ Erasmus Mundus Masters-এর আবেদন অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে নেওয়া হয়, পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে ক্লাস শুরুর জন্য। কিন্তু ২০২৭ intake-এর জন্য সব প্রোগ্রামের একক deadline নেই। ৩ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আপনার পছন্দের প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব admissions page-এ প্রকাশিত deadline-ই চূড়ান্ত ধরে চলতে হবে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: ইউরোপীয় কমিশনের EMJM funding call-এর শেষ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর consortium funding আবেদনের জন্য; এটি শিক্ষার্থীদের scholarship application deadline নয়। পুরোনো funding-call date দেখে শিক্ষার্থীর আবেদন বন্ধ বা খোলা ধরে নেবেন না।
Erasmus Mundus Masters-এর কোর্স খুঁজবেন কীভাবে?
- Erasmus+ শিক্ষার্থী পেজ থেকে অফিসিয়াল course catalogue খুলুন।
- আপনার Bachelor’s subject, আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ কাজের সঙ্গে মিলিয়ে কোর্স shortlist করুন।
- প্রতিটি কোর্সের নিজস্ব ওয়েবসাইটে 2027 intake, scholarship availability, eligible countries, admission requirements এবং deadline যাচাই করুন।
- কোন কোন দেশে semester কাটাতে হবে, thesis কোথায় হবে, কোন degree দেওয়া হবে, তা লিখে রাখুন।
- Scholarship track ও self-funded track আলাদা থাকলে সঠিক application route বেছে নিন।
ধরা যাক, আপনার Bachelor’s Computer Science-এ। শুধু “Europe scholarship” লিখে খোঁজার বদলে data science, cybersecurity বা AI-এর এমন যৌথ মাস্টার্স বাছুন যেখানে আপনার programming ও mathematics background কাজে লাগবে। একইভাবে পরিবেশবিজ্ঞান, public health, development studies বা engineering-এর শিক্ষার্থীদেরও নিজের পূর্বশিক্ষার সঙ্গে কোর্সের মিল পরীক্ষা করা দরকার।
আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?
- পাসপোর্টের পরিচয় পৃষ্ঠা এবং নামের বানান মিলিয়ে দেওয়া ব্যক্তিগত তথ্য
- Bachelor’s certificate বা শেষ বর্ষের enrolment/expected graduation proof
- সম্পূর্ণ academic transcript ও প্রয়োজনে grading scale
- Europass বা প্রোগ্রাম নির্ধারিত format-এ CV
- Motivation letter, statement of purpose অথবা নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর
- সাধারণত এক বা একাধিক recommendation letter, যদি চাওয়া হয়
- IELTS/TOEFL বা গ্রহণযোগ্য অন্য language proof
- প্রোগ্রামভেদে research proposal, portfolio, employment proof বা course description
প্রতিটি ফাইলের নাম পরিষ্কার রাখুন। Transcript, passport ও application form-এ নাম বা জন্মতারিখের অমিল থাকলে আগে সংশোধন করুন। অনুবাদ, notarisation বা attestation কেবল যে প্রোগ্রাম চায়, সে অনুযায়ী করুন। সব প্রোগ্রামে একই কাগজের তালিকা প্রযোজ্য নয়।
বাংলাদেশ থেকে Erasmus Mundus Scholarship আবেদন: ৮ ধাপ
১. নিজের যোগ্যতা যাচাই করুন
ডিগ্রি, পূর্ববর্তী বিষয়, ভাষাগত যোগ্যতা এবং সম্ভাব্য graduation date মিলিয়ে নিন। শেষ বর্ষে থাকলে কবে final transcript পাবেন সেটিও হিসাব করুন।
২. তিন থেকে পাঁচটি প্রাসঙ্গিক প্রোগ্রাম shortlist করুন
একই motivation letter সব জায়গায় পাঠানোর বদলে বিষয় ও career goal অনুযায়ী আলাদা shortlist করুন। আবেদনসংখ্যা সম্পর্কে কোনো সাধারণ সীমা অনুমান করবেন না; সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের নির্দেশনা মানুন।
৩. Deadline ও scholarship route লিখে রাখুন
Spreadsheet-এ programme URL, eligibility, required files, scholarship checkbox, referee deadline ও submission date রাখুন। ভিন্ন time zone থাকলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৪. Recommendation আগেভাগে চান
আপনার কাজ জানেন এমন শিক্ষক বা supervisor-কে course description, CV ও সময়সীমা পাঠান। অনেক ক্ষেত্রে referee-কে আলাদা লিংকে recommendation জমা দিতে হয়।
৫. Motivation letter প্রোগ্রাম অনুযায়ী লিখুন
কেন এই বিষয়, কেন এই নির্দিষ্ট consortium, আগের কোন প্রকল্প আপনাকে প্রস্তুত করেছে এবং কোর্স শেষে কী করতে চান, তার প্রমাণ দিন। শুধু “Europe is my dream” লিখে জায়গা নষ্ট করবেন না।
৬. Online application জমা দিন
ফর্মে scholarship consideration নির্বাচন করতে হয় কি না দেখুন। সব upload preview করুন। Submit করার পরে confirmation email বা application ID সংরক্ষণ করুন।
৭. Interview বা অতিরিক্ত মূল্যায়নের প্রস্তুতি নিন
কিছু প্রোগ্রাম interview, লিখিত task বা document clarification চাইতে পারে। আপনার CV, coursework ও motivation letter-এর প্রতিটি দাবির উদাহরণ দিতে প্রস্তুত থাকুন।
৮. Offer পাওয়ার পরে ভিসা ও যাত্রার পরিকল্পনা করুন
প্রথম গন্তব্য দেশের embassy/consulate-এর নিয়ম অনুসরণ করুন। একাধিক দেশে পড়ার কারণে residence permit, mobility ও insurance-এর অতিরিক্ত নির্দেশনা থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট consortium-এর international office-এর সঙ্গে আগে কথা বলুন।
Motivation Letter কীভাবে শক্তিশালী করবেন?
ধরা যাক, আপনি বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবিজ্ঞান পড়েছেন এবং নদীর পানিদূষণ নিয়ে thesis করেছেন। ভালো motivation letter-এ সেই কাজের পদ্ধতি, শেখা দক্ষতা, কোন EMJM module-এ তা কাজে লাগবে এবং বাংলাদেশে ফিরে বা আন্তর্জাতিক গবেষণায় কী ধরনের কাজ করতে চান, তা দেখাতে পারেন।
একটি ব্যবহারযোগ্য কাঠামো হলো: আপনার প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা → নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের উপযুক্ততা → শেখার লক্ষ্য → ভবিষ্যৎ প্রয়োগ। তবে কোর্স যদি আলাদা প্রশ্ন বা word limit দেয়, সেটিই অনুসরণ করুন। বড় লেখা মানেই ভালো লেখা নয়। বানানো volunteer work, publication বা internship যোগ করবেন না।
Scholarship না পেলে কি Erasmus Mundus-এ পড়া যায়?
কিছু প্রোগ্রামে self-funded admission-এর সুযোগ থাকে। কিন্তু scholarship না পাওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে self-funded offer নয়। নিজের অর্থায়নে পড়তে চাইলে tuition/participation fee, insurance, দুই দেশের যাতায়াত, বাসস্থান ও ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় financial proof আগেই হিসাব করুন। বিদেশে পড়াশোনার খরচের গাইড বাজেট সাজাতে সাহায্য করবে।
ভিসা, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও পার্ট-টাইম কাজ নিয়ে যা জানবেন
Erasmus Mundus কোনো একক “EU student visa” দেয় না। আপনি যে দেশে প্রথম পড়বেন, তার নিয়ম অনুযায়ী visa বা residence permit লাগতে পারে; পরবর্তী দেশে mobility-এর আলাদা নিয়মও থাকতে পারে। স্কলারশিপের award letter অর্থের প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে, কিন্তু তা সব দেশের সব financial-document requirement বাতিল করে না।
পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি ও ঘণ্টার সীমাও দেশভেদে ভিন্ন। স্কলারশিপের ভাতা ধরে বাজেট করুন; চাকরি পাওয়া নিশ্চিত ধরে ভাড়া বা টিউশন পরিকল্পনা করবেন না। প্রথম গন্তব্যের সরকারি immigration website এবং consortium-এর visa team-এর লিখিত নির্দেশনা অনুসরণ করুন। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার গাইড থেকে সাধারণ আবেদন প্রস্তুতিও দেখে নিতে পারেন।
যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- Official catalogue-তে নাম দেখেই ধরে নেওয়া যে প্রোগ্রামে এই intake-এ funded scholarship আছে।
- পুরোনো PDF থেকে deadline বা IELTS requirement কপি করা।
- একই generic SOP সব consortium-এ পাঠানো।
- Referee-র submission deadline না দেখা।
- এজেন্টকে “নিশ্চিত স্কলারশিপ” দেওয়ার নামে টাকা দেওয়া।
- একাধিক দেশে থাকার খরচ ও visa timeline বাদ দিয়ে পরিকল্পনা করা।
বিদেশে অন্য fully funded সুযোগ তুলনা করতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ গাইড এবং মাস্টার্সের প্রস্তুতির জন্য বিদেশে মাস্টার্স করার গাইড পড়তে পারেন।
Erasmus Mundus Scholarship নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
১. বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কি Erasmus Mundus Scholarship পান?
হ্যাঁ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যোগ্য শিক্ষার্থীরা EMJM প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রোগ্রামভেদে হয়।
২. IELTS ছাড়া আবেদন করা যায়?
কিছু প্রোগ্রাম বিকল্প ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সব প্রোগ্রামে IELTS waiver আছে এমন নয়। নির্দিষ্ট programme admission rules দেখুন।
৩. CGPA কত লাগবে?
সব EMJM প্রোগ্রামের জন্য একক ন্যূনতম CGPA নেই। প্রতিটি consortium নিজের academic eligibility ও selection criteria প্রকাশ করে।
৪. শেষ বর্ষে থাকলে আবেদন করা যাবে?
হ্যাঁ, সাধারণত আবেদন করা যায়, যদি মাস্টার্স শুরুর আগে Bachelor’s ডিগ্রি সম্পন্ন করতে পারেন এবং প্রোগ্রামের শর্ত পূরণ করেন।
৫. HSC পাস করে Erasmus Mundus-এ আবেদন করা যাবে?
EMJM হলো মাস্টার্স পর্যায়ের প্রোগ্রাম। সাধারণত Bachelor’s বা স্বীকৃত সমমানের যোগ্যতা প্রয়োজন।
৬. মাসে €1,400 কি সবাই পান?
না। এটি বর্তমান EMJM scholarship funding কাঠামোর হার। কেবল নির্বাচিত scholarship holder-রা প্রযোজ্য চুক্তি অনুযায়ী সুবিধা পান।
৭. Erasmus Mundus-এর জন্য আলাদা কেন্দ্রীয় আবেদন ফর্ম আছে?
না। শিক্ষার্থীদের পছন্দের Joint Master প্রোগ্রামের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সরাসরি আবেদন করতে হয়।
৮. ২০২৭ intake-এর deadline কি জানুয়ারি ২০২৭?
সব প্রোগ্রামের জন্য নয়। অনেক প্রোগ্রাম অক্টোবর-জানুয়ারি সময়ের মধ্যে আবেদন নেয়, কিন্তু প্রতিটির নির্দিষ্ট deadline আলাদা।
৯. একাধিক দেশে পড়া কি বাধ্যতামূলক?
EMJM-এর বৈশিষ্ট্য হলো আন্তর্জাতিক যৌথ পাঠ্যক্রম ও mobility। কোন দেশে কতদিন পড়তে হবে, তা প্রোগ্রামের study plan-এ দেওয়া থাকে।
১০. Erasmus Mundus কি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবেদন করা যায়?
Application fee আছে কি না, সেটি প্রোগ্রামভেদে যাচাই করতে হবে। স্কলারশিপের অর্থায়ন ও আবেদন ফি এক বিষয় নয়।
১১. স্কলারশিপ পেলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাগবে না?
এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিসা ও residence permit-এর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়ম এবং scholarship letter-এর গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করুন।
১২. আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে আবার চেষ্টা করা যাবে?
পরবর্তী intake-এ যোগ্যতা পূরণ করলে পুনরায় আবেদন সম্ভব হতে পারে। আগের আবেদন দুর্বল ছিল কোথায় তা পর্যালোচনা করে নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।
শুরু করার সবচেয়ে কার্যকর কাজ হলো আজই নিজের বিষয়ের সঙ্গে মেলে এমন কয়েকটি EMJM প্রোগ্রাম বেছে নিয়ে তাদের ২০২৭ intake-এর অফিসিয়াল আবেদনপেজ সংরক্ষণ করা। সঠিক কোর্স নির্বাচন ও সময়মতো সম্পূর্ণ আবেদনই এখানে প্রথম অগ্রাধিকার।



[…] বিবেচনা করলে Stipendium Hungaricum, DAAD Scholarship এবং Erasmus Mundus-এর যোগ্যতা ও সময়সীমা তুলনা করতে […]