Popular Now
টেলিটক চাকরির আবেদন ফরম জমার আগে ভুল তথ্য যাচাই ও সংশোধনের প্রতীকী চিত্র

Teletalk Application Error: চাকরির আবেদন ভুল হলে কী করবেন?

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে Chung-Ang University ক্যাম্পাসের লাইব্রেরি ভবন

Study in Korea Without TOPIK: কোরিয়ান ভাষা ছাড়াই ভর্তি, English-taught Degree ও IELTS নিয়ম

সাপ্তাহিক চাকরির খবর পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি যাচাই বোঝাতে সংবাদপত্র ও ম্যাগনিফাইং গ্লাসের ইলাস্ট্রেশন

সাপ্তাহিক চাকরির খবর পত্রিকা PDF: নতুন সংখ্যা খুঁজবেন ও নিয়োগ যাচাই করবেন যেভাবে

দোকানে প্রদর্শিত স্মার্টফোনের সারি

স্মার্টফোনের চিপ সরবরাহ ২১% কমেছে, বেশি চাপে কমদামি ফোনের বাজার

২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোনের চিপ সরবরাহ ২১% কমেছে। র‍্যামের দাম বৃদ্ধি ও কমদামি ফোনের বাজারে চাপ নিয়ে Counterpoint-এর প্রতিবেদন।

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনে ব্যবহৃত প্রসেসর বা চিপের সরবরাহ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ কমেছে। ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান Counterpoint Research-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে কমদামি ও মাঝারি দামের ফোনে। র‍্যাম ও অন্যান্য মেমোরির বাড়তি খরচের কারণে নির্মাতারা নতুন মডেল বাজারে আনার ক্ষেত্রেও সতর্ক হচ্ছে।

চিপের সরবরাহ কমার কারণ কী?

একটি স্মার্টফোনের প্রধান প্রসেসরকে সাধারণত SoC (System on a Chip) বলা হয়। ফোনের গতি, ছবি প্রক্রিয়াকরণ এবং যোগাযোগের মতো অনেক কাজ এই চিপ নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় যে ২১ শতাংশ পতনের কথা বলা হয়েছে, সেটি চিপ সরবরাহের হিসাব; সরাসরি স্মার্টফোন বিক্রি ২১ শতাংশ কমেছে, এমন দাবি নয়।

Counterpoint-এর হিসাবে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোনের মেমোরির দাম ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেড়েছে। অনেক ক্রেতা আগের ফোন বেশি দিন ব্যবহার করছেন। এর সঙ্গে নির্মাতাদের মজুত নিয়ন্ত্রণ ও লাভ ধরে রাখার চেষ্টা যোগ হওয়ায় বিশেষ করে সাশ্রয়ী মডেলের উৎপাদন পরিকল্পনা প্রভাবিত হয়েছে।

কোন চিপ নির্মাতারা বেশি চাপে?

কম ও মাঝারি দামের স্মার্টফোনে বেশি ব্যবহৃত হওয়ায় MediaTek ও UNISOC তুলনামূলক বেশি চাপের মুখে পড়েছে। Qualcomm-ও কিছু বাজারে দুর্বল চাহিদার প্রভাব দেখেছে। অন্যদিকে, নিজস্ব সরবরাহব্যবস্থা এবং দামি ফোনে বেশি মনোযোগ থাকার কারণে Apple ও Samsung তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এর মানে এই নয় যে কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সব ফোনের দাম বেড়ে গেছে কিংবা বাজারে চিপের সংকটে ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবেদনটি মূলত বৈশ্বিক সরবরাহ ও নির্মাতাদের পরিকল্পনার পরিবর্তন তুলে ধরেছে।

বাংলাদেশে ফোনের দামে কী প্রভাব পড়তে পারে?

বাংলাদেশে কম ও মাঝারি দামের Android ফোনের ক্রেতা বেশি হওয়ায় এই প্রবণতা নজরে রাখার মতো। মেমোরি ও চিপের খরচ বাড়লে ভবিষ্যতের কিছু মডেলে দাম, র‍্যাম-স্টোরেজের বিকল্প বা নতুন মডেল আনার সময়সূচিতে প্রভাব পড়তে পারে। তবে বাংলাদেশে ফোনের দাম কত বাড়বে, সে বিষয়ে Counterpoint কোনো নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেয়নি। স্থানীয় দাম আমদানি খরচ, কর ও বিক্রেতাদের সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করে।

মেমোরির মূল্যবৃদ্ধির চাপ শুধু ফোনে সীমাবদ্ধ নয়। এর আগে র‍্যামের উচ্চ দামে পিসি বাজারে চাপ নিয়েও উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল Intel।

২০২৭ সালেও কি চাপ থাকবে?

Counterpoint-এর পূর্বাভাস, পুরো ২০২৬ সালে স্মার্টফোনের চিপ সরবরাহ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরও ৩ থেকে ৪ শতাংশ কমতে পারে। ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে মেমোরির দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় আরও প্রায় ৫ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এগুলো গবেষণা-ভিত্তিক পূর্বাভাস, নিশ্চিত ফল নয়।

নতুন ফোন কেনার পরিকল্পনা থাকলে শুধু প্রসেসরের নাম নয়, একই বাজেটে র‍্যাম, স্টোরেজ, সফটওয়্যার আপডেট এবং স্থানীয় ওয়ারেন্টি মিলিয়ে দেখা ভালো। বৈশ্বিক চিপ সরবরাহ কমার খবরের ভিত্তিতে এখনই তাড়াহুড়া করে ফোন কেনার প্রয়োজন নেই।

View Comments (2)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *